লেখা আহবান
প্রিয় লেখক বন্ধু, আপনার লেখা সবচেয়ে সুন্দর উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, ভ্রমণকাহিনী, ফিচার, স্বাস্থ্য কথা ইত্যাদি পাঠিয়ে দিন এই মেইলে– noborongpotrika@gmail.com

শুকনো অশ্রু

তোফাজ্জল হুসাইন ১. সন্ধ্যার পর থেকে মনটা কেমন হু হু করছে। কোন কিছুই ভালো লাগছেনা। মনে হচ্ছে একশো কেজি ওজনের একটা পাথর বুকে চাপিয়ে রাখা হয়েছে। দম প্রায় বন্ধ হয়ে সমস্ত লেখা পড়ুন

পিঁপড়া ও অহংকারী হাতি

কৌশিক সূত্রধর এক বনে বাস করতো বিশাল একটি হাতি। হাতিটা যেমন ছিলো উঁচু তেমন ছিলো তার গায়ের জোর। সে তার শক্তির উপর অনেক অহংকার করতো। সে ভাবতো এই বনে তার সমস্ত লেখা পড়ুন

পাখির প্রতি ভালোবাসা

মিনহাজ উদ্দীন শরীফ তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র অর্পণ ও দর্পণ যমজ দু’ভাই। তাদের জন্ম মামার বাড়িতে মধুমাসের প্রথম দিকে। তাদের বাবা প্রধান শিক্ষক গ্রামের একটা প্রাইমারী স্কুলের; মা গৃহিণী। বাবা সমস্ত লেখা পড়ুন

এ যুগের মুসলমান

মো: হাজ্জাজ মিন সাগর পৃথিবীতে একমাত্র শান্তির ধর্ম ইসলাম। ইসলামকে যারা বুকে লালন করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করে তাদের বলা হয় মুসলমান। যারা প্রকৃত মুসলমান তারা আল্লার ভয়ে সমস্ত লেখা পড়ুন

মহানুভবতা

মোহাম্মদ শেখ শরীফ ইমাম আবু হানিফার পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে একজন দিনমজুর বাস করতো। দিনের বেলায় সে নিজের কুঁড়েঘরে বসে নানা রকম কুটিরশিল্পের কাজ করতো। অশালীন গান গাইতো ও প্রলাপ বকতো। তার সমস্ত লেখা পড়ুন

নবীজীর রত্নতুল্য শিক্ষা

কাজী তানভীর তখন ছিল দিনের অন্তবেলা ছুঁইছুঁই। অগ্নীঝরা রোদেলা দুপুর। নবীজী সাহাবাদের নিয়ে বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করলেন কোন এক যুদ্ধসমাপ্তির পর। দুপুরের আগুনঝরা রোদে কাফেলার পথ চলা অসম্ভব! তাই সমস্ত লেখা পড়ুন

বাবুইপাখির সংসার

কবির কাঞ্চন হিজলতলী গ্রামের দক্ষিণের বনে হাজারো স্মৃতির স্বাক্ষী হয়ে আছে একটি তালগাছ। এই তালগাছেই বছরের পর বছর সুখে-দুঃখে কাটিয়েছে বাবুইপাখি দম্পতি। তাদের দু’জনের শৈশবের মধুর সময়ও এই তালগাছটিকে ঘিরেই সমস্ত লেখা পড়ুন

বাক-বাকুম

দিপংকর দাশ খাঁচাতে একঝাঁক কবুতর পোষে দিগন্ত। কবুতর পালনে তার দারুণ আগ্রহ। ছোটবেলায় যখন মা তাকে জানালার পাশে দোলনায় ঝুলিয়ে রাখতো তখন থেকেই পাশের বাসার ছাদে বাক-বাকুম বাক-বাকুম শব্দে হেঁটে সমস্ত লেখা পড়ুন

ভোর রাতের স্বপ্ন

সাঞ্জিদা মেহের সাঞ্জু আমি স্বভাবত খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠিনা। সারারাত সাদাফের সাথে ফেসবুকিং কিংবা কখনো ভিডিও কলিং করে ভোরে ঘুম দেই। সেই ঘুম ভাঙতে ভাঙতে দুপুর একটা কিংবা দুইটা সমস্ত লেখা পড়ুন

রিয়ার ট্রেন ভ্রমণ

হুমায়ুন আবিদ আলী হোসেন সাহেব বনবিভাগের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি বান্দরবান জেলায় কর্মরত আছেন। স্ত্রী জোবায়দা খানম আর দুই মেয়ে নিয়ে আলী হোসেন সাহেবের সুখের সংসার। বড় মেয়ে রিয়া বান্দরবান জেলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে আর ছোট মেয়ে দিয়ারবয়স চার বছর। আলী হোসেন সাহেবের পৈত্রিক বাড়ি ঢাকার সাভারে। চাকুরিজনিত কারণে দীর্ঘ পনের বছর যাবত বান্দরবানে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। রিয়ার বার্ষিক পরীক্ষার কিছুদিন বাকী। রিয়া তার বাবাকে বললো, বাবা এইবার বার্ষিক পরীক্ষার পর দাদুর বাড়ী বেড়াতে যাবো! কতদিন হয় দাদা-দাদু চাচ্চু আর ফুফিকে দেখিনা। তুমি কিন্তু না করতে পারবে না।  বাড়ির কথা শুনে আলী হোসেন সাহেবের ভিতরটামোচড় দিয়ে উঠে। সময় সুযোগের অভাবে আজ চার বছর হয় বাড়িতে যাওয়া হয় না। সহসা সবার কথা মনে পড়াতে আলী হোসেন সাহেবের মনটা বেশ খারাপ হয়ে যায়। রিয়া তার বাবার মনটা খারাপ দেখে বললো, -কি হয়েছে বাবা, মনটা খারাপ কেনো। -তোর দাদুবাড়ীর কথা খুব মনে পড়ে গেলোতো তাই। -আমরা দাদু বাড়ি গেলে সবাই অনেক খুশি হবে।তোমারও মনটা ভালো হয়ে যাবে। চলনা সবাই মিলে দাদুবাড়ি থেকে ঘুরে আসি। -তোর মায়ের সঙ্গে কথা বলে দেখি সে কি বলে। সমস্ত লেখা পড়ুন

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮-২০১৯ নবরঙ
Design BY NewsTheme