লেখা আহবান
প্রিয় লেখক বন্ধু, আপনার লেখা সবচেয়ে সুন্দর উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, ভ্রমণকাহিনী, ফিচার, স্বাস্থ্য কথা ইত্যাদি পাঠিয়ে দিন এই মেইলে– noborongpotrika@gmail.com

শিশুমন

আব্দুল মালেক জাগরণী  আমি যদি ফুল হয়ে ফুটি হেসে হেসে খুন হব শাখে শাখে ঝুলে রব করবোনা আর ছুটাছুটি।  বৃষ্টির ফোঁটা হলে পরে দূর বহুদূর হতে বৃষ্টির সুর হতে টুপ সমস্ত লেখা পড়ুন

ভাওয়া ব্যাঙ

রিতা ফারিয়া রিচি ডোবার মাঝে ভাওয়া ব্যাঙে ডাকছে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ, ইচ্ছে করে ব্যাঙের মাথায় জোরসে মারি ল্যাঙ৷ বর্ষাকালে অাকাশ থেকে বিষ্টি পড়ে টুপ, বদলিয়ে যায় ভাওয়া ব্যাঙের গ্রীষ্মকালীন রূপ৷ নতুন সমস্ত লেখা পড়ুন

শরতের গান

হামীম রায়হান   তুলোর মতো মেঘের দল, ছুটছে তারা কই! দুষ্ট তারা বলছে শরৎ তাদের নাকি সই! নেইতো বিরাম এতটুকু, সন্ধ্যাও যায় কেটে, এমন করে ছুটে ওদের নেই কী খিদা পেটে?  সমস্ত লেখা পড়ুন

লম্বু জনি- (পর্ব- ৯ থেকে ১২)

ইকবাল খন্দকার পর্ব- নয় পরদিন সময়মতই স্কুলে আসে জনি। তার হাতে ব্যান্ডেজ, পায়ে ব্যান্ডেজ, মাথায় ব্যান্ডেজ। তাকে দেখে হাসি চেপে রাখতে পারে না জিতুরা। রবিন বলে-কনসার্টে শোয়ার কিছুক্ষণ পরেই তুই সমস্ত লেখা পড়ুন

কবির দেশ

মুস্তফা হাবীব বিকেলবেলা নদীর পাড়ে ধনচে ক্ষেতের পাশে, একা বসে একটি ছেলে মুগ্ধচোখে হাসে। মাঝনদীতে লঞ্চ-ইষ্টিমার বাজায় মধুর বাঁশি। সেই ছেলেটার বুকের ভেতর জাগে পুলক রাশি। ঝাঁকে ঝাঁকে বিচিত্র মাছ সমস্ত লেখা পড়ুন

শরত

রামপ্রসাদ সূত্রধর বর্ষার শেষে শরত আসে অপরূপ রূপ নিয়ে। দুই নয়নে বাংলার ছবি সৌন্দর্য পড়ে ছড়িয়ে। সাদা পুঞ্জ মেঘ উড়ে যায় শরতের নীল আকাশে। মালা সেজে বকসারি উড়ে আমাদের এই সমস্ত লেখা পড়ুন

ছড়া স্লিপ- ৫, ৬

জগলুল হায়দার ছন্দ জানা মন্দ না আগের স্লিপে জানলাম বাংলা ছড়ার তিন ছন্দ যথাক্রমে- অক্ষর বৃত্ত, মাত্রা বৃত্ত ও স্বর বৃত্ত। নাম তো জানলাম এখন জুরুরি হইল তাদের সঙ্গে পরিচয়। সমস্ত লেখা পড়ুন

বাংলাবানান ও শব্দগঠনঃ ভুল শুধু ভুল

শাহ আলম বাদশা তৃতীয় পর্ব বাংলা/বাঙলা নাকি বাঙালা? এ শব্দগুলোর কোনটা যে, সঠিক এবং কোনটা ব্যবহার করা উচিৎ তা নিয়েও আমরা কিন্তু বিভ্রান্ত। বাংগালী, বাঙ্গালী, বাঙালি, বাঙালী এসবই আমরা ব্যবহার সমস্ত লেখা পড়ুন

রিয়ার ট্রেন ভ্রমণ

হুমায়ুন আবিদ আলী হোসেন সাহেব বনবিভাগের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি বান্দরবান জেলায় কর্মরত আছেন। স্ত্রী জোবায়দা খানম আর দুই মেয়ে নিয়ে আলী হোসেন সাহেবের সুখের সংসার। বড় মেয়ে রিয়া বান্দরবান জেলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে আর ছোট মেয়ে দিয়ারবয়স চার বছর। আলী হোসেন সাহেবের পৈত্রিক বাড়ি ঢাকার সাভারে। চাকুরিজনিত কারণে দীর্ঘ পনের বছর যাবত বান্দরবানে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। রিয়ার বার্ষিক পরীক্ষার কিছুদিন বাকী। রিয়া তার বাবাকে বললো, বাবা এইবার বার্ষিক পরীক্ষার পর দাদুর বাড়ী বেড়াতে যাবো! কতদিন হয় দাদা-দাদু চাচ্চু আর ফুফিকে দেখিনা। তুমি কিন্তু না করতে পারবে না।  বাড়ির কথা শুনে আলী হোসেন সাহেবের ভিতরটামোচড় দিয়ে উঠে। সময় সুযোগের অভাবে আজ চার বছর হয় বাড়িতে যাওয়া হয় না। সহসা সবার কথা মনে পড়াতে আলী হোসেন সাহেবের মনটা বেশ খারাপ হয়ে যায়। রিয়া তার বাবার মনটা খারাপ দেখে বললো, -কি হয়েছে বাবা, মনটা খারাপ কেনো। -তোর দাদুবাড়ীর কথা খুব মনে পড়ে গেলোতো তাই। -আমরা দাদু বাড়ি গেলে সবাই অনেক খুশি হবে।তোমারও মনটা ভালো হয়ে যাবে। চলনা সবাই মিলে দাদুবাড়ি থেকে ঘুরে আসি। -তোর মায়ের সঙ্গে কথা বলে দেখি সে কি বলে। সমস্ত লেখা পড়ুন

ঘুড়ির ছড়া

জনি হোসেন কাব্য বুক নেই তার মাথা আছে আজব সে এক দানো, ইচ্ছে হলেই লেজটি ধরে যায় রে দেওয়া টানও। আকাশ জুড়ে ওড়াওড়ি নেই তো পিঠে ডানা, হঠাৎ দেখে ভাবছি সমস্ত লেখা পড়ুন

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮-২০১৯ নবরঙ
Design BY NewsTheme