লেখা আহবান
প্রিয় লেখক বন্ধু, আপনার লেখা সবচেয়ে সুন্দর উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, ভ্রমণকাহিনী, ফিচার, স্বাস্থ্য কথা ইত্যাদি পাঠিয়ে দিন এই মেইলে– noborongpotrika@gmail.com
বাংলাবানান ও শব্দগঠনঃ ভুল শুধু ভুল

বাংলাবানান ও শব্দগঠনঃ ভুল শুধু ভুল

শাহ আলম বাদশা

প্রথম পর্ব

ইদানীং আমাদের বানানের ক্ষেত্রে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা লক্ষ্যণীয়। আমরা যে যেমন পাচ্ছি লিখে যাচ্ছি শুদ্ধবানান ভেবে। আমাদের পত্রিকাগুলোও এক্ষেত্রে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি করে চলেছে বাংলাএকাডেমির প্রমিতবানানের অজুহাতে। একেক পত্রিকার একেক রকম বানানরীতিও গড়ে উঠেছে, যা হাস্যকর। ফলে আমাদের বানানেও ভুল খুববেশি হয়ে যাচ্ছে আজকাল। মানুষমাত্রেই ভুল করতে পারে–আমিও তার ওপরে নই। যে কারুর ভুলধরিয়ে দেয়া যেমন ভালো তেমনই তা সংশোধন করে নেয়াও উদারতার লক্ষণ। আমার লেখায় ব্যাকরণগত ভুল কিংবা যৌক্তিক ভুল থাকলে আমিও মেনে নেবো। আমি এখানে কঠিন ব্যাকরণের আলোচনা নয়, কিছু সাধারণ বানান বা শব্দগঠন নিয়ে লিখবো, যা আমরা সচরাচর ভুলভাবে লিখে থাকি।

বাংলাভাষা একটু কঠিন হলেও এমন স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষা যে, বিশ্বে দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া ভার। তবে এর বানান আর শব্দগঠনের বেলায় একটু জটিলতা থাকলেও তা থেকে উত্তরণ অসম্ভব নয়। কিন্তু আমরা যারা সাহিত্যচর্চা করি বিশেষত অনলাইনের বাধাহীন ও সম্পাদনাবিহীন জগতে, তারাও সাধারণ ও সাদামাটা বানান যেহারে ভুললিখি এবং একটা শব্দকে ভেঙ্গে কতো টুকরো যে করি, ফলে তা আর প্রকৃত শব্দের বানান থাকেনা এবং অর্থবিকৃতিও ঘটে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়-বড়ভাই=Elder brother=বড় ভাই=Big brother, বড়লোক=Rich man=বড় লোক=Big man। আশা করি একটি শব্দের মাঝে স্পেসদেয়া আর নাদেয়ার ফারাক ও বিপদের বিষয়টা বোঝা গেছে? অনলাইনে সেন্সরশিপ না থাকায় তারা যাচ্ছেতাই লিখে যাচ্ছে দেখে আমি একেবারেই হতাশ। লেখকরা পথপ্রদর্শকের মতো, অথচ তারাই যদি বাংলাবানানের বারোটা বাজিয়ে দেয়, অভিধান না দেখে যাচ্ছেতাই লিখে যায়–ইচ্ছেমতো অপশব্দও বানায়(?) তাহলে যারা পাঠক-ভক্ত তারা কী শিখবে তাদের কাছে? এটা চরম লজ্জাকর বিষয়। আমি অনলাইনে ৯০% লেখকের ভুলবানান শুদ্ধ করে দিতে দিতে এখন ক্লান্ত। অনেকেই আবার যৌক্তিক ভুলটা স্বীকার না করে কিছু না জেনেই অযথা তর্কেও জড়িয়ে পড়ে?
তাই যারা বানানভুল লেখেন এবং ডিকশনারিও অনুসরণ করেন না, তাদের অনুরোধ করি বানানসংক্রান্ত একটু পড়াশোনা করুন এবং এ বয়সেও নতুন করে একটু ব্যাকরণচর্চা না হলেও একাডেমির অভিধান অন্তত দেখা শুরু করুন। তবু ভুলবানান লিখে জনগণকে বিভ্রান্ত করার এবং শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাভাষাকে অপমানের প্রয়োজন নেই।

বাংলাএকাডেমির প্রমিতবানানঃ
আমি এখানে পুরনোরীতির কিছুবানানও ব্যবহার করেছি, যা বাংলাএকাডেমির প্রমিত বানানের সাথে সবক্ষেত্রে নাও মিলতে পারে। এটা আমার ভিন্নমতের কারণেই। কারণ আমি বাংলাএকাডেমির প্রমিতবানানের সাথে সবক্ষেত্রে একমত নই। বিশেষ করে বাংলাএকাডেমির (বিশেষ্যপদ হিসেবে ‘বাংলাএকাডেমি’ বানানে স্পেস হবেনা) বিতর্কিত বানানরীতি-প্রবর্তনের বা সংস্কারের দরুণই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে আমি মনে করি। ১৯৯২ সালের আগের বই-পুস্তকের বানানগুলোর সাথে প্রমিত বানানের নজির খুঁজে দেখলেই আমার কথার প্রমাণ পাওয়া যাবে। এই বিতর্ক নতুন না হলেও ১৯৯২ সালে বাংলাএকাডেমি প্রথম ”সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’‘ প্রণয়ন করার পর একটি বানানরীতিও তৈরী করায় বানানজটিলতা বেড়ে গেছে।

তারা ‘ই-কার’ আর ‘ঈ-কারের বারোটা বাজালেও (বিশেষতঃ বিদেশীশব্দে) ”শহীদ” বা ”শহীদদিবস” এবং বাংলাএকাডেমীর ”একাডেমী” বানান ২০১৪ সাল পর্যন্ত ঠিকই বহাল রেখেছে। আইনগত বিষয় থাকলে দালিলিকভাবে ”বাংলাএকাডেমী”র দলিল ও সাইনবোর্ডের বানানে ঈ-কার থাকতেই পারে; কিন্তু তাদের গড়া নিয়মভেঙ্গে তাদের অভিধানেই বা তা থাকবে কোন যুক্তিতে, তার ব্যাখ্যা কি দেয়া উচিৎ ছিলনা? বাংলাএকাডেমির বাংলাঅভিধানের ১৯৯৮ সালের প্রথম পুনর্মুদ্রণ থেকে শুরু করে ২০১৩ সালের মূদ্রণেও এ পুরনোরীতির বানানই বহাল রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আইনবদল করে ”একাডেমী” বানানটি অবশ্য বদলিয়ে ফেলা হয়েছে ‘বাংলাএকাডেমি’ করা হয়েছে।

অধিকাংশ যুক্তশব্দ আর ঈকারযুক্ত শব্দের বানানে ঢালাও ই-কার ব্যবহারের রীতি চালু করায় যেমন সমস্যা তৈরি হচ্ছে; তেমনই বহুক্ষেত্রে একই শব্দরূপের একাধিক বানানও তৈরি করা হয়েছে। এখানে আমি একাধিক বানানের নমুনাস্বরূপ তেমনকিছু দেখিয়েও দিয়েছি ব্রাকেটে। একই শব্দের একাধিক বানান আগেও ছিলো এবং এটা যুক্তিসঙ্গতও। যেমন-পাখি/পাখী, বাড়ী/বাড়ি, গাড়ি/গাড়ী ইত্যাদি বানান ছিলো ঈ-কার দিয়ে এবং এখনো এমন অনেকগুলো বানান বহাল থাকলেও কিছুবানানের ক্ষেত্রে একটিমাত্র রূপনির্ধারণ করায় সমস্যা বেড়েছে। ১৯৯২ সালের আগের ঈকার দিয়ে লেখা সঠিক বানানটি এখন ভুল বলে বিবেচিত হচ্ছে। তাই একটি বানানের একাধিক অন্ততঃ ২টি করে বানানরূপ থাকা জরুরি বলেই আমি মনে করি। এতে ভুলবানান লেখার ভয় থাকবেনা, যেটাই লিখুক শুদ্ধ হবে। একাধিক বানানরূপওয়ালা শব্দ এবং বিশেষ কিছুশব্দ ব্যতীত সবশব্দের ক্ষেত্রেই এমন দ্বৈতরূপ থাকার দরকার নেই। এবিষয়ে সামনে আমি বিশদ বলার চেষ্টা করবো। যেমন উদ্বুদ্ধ এখন উদবুদ্ধ, আবার প্রতিবছর একই বানানের বিভিন্নরুপ সৃষ্টি করে বাংলাএকাডেমি হাস্যকর অবস্থার অবতারণা করেছে; যেমন-২০০৯ সালের বাংলা-বানান অভিধানে বৈশাখী=বৈশাখি করা হলেও ২০১৪ সালের অভিধানে হয়ে গেছে বৈশাখী/বৈশাখি উভয়টাই। তাহলে বোঝেন ঠেলা?

এসব বিভ্রান্তির ফলেই ৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ঈ-কারকেও অনেকেই ‘ই-কার’ দিয়ে লিখে সঠিক বানান ভেবেই আনন্দ পাচ্ছে। যেমন অহরহ দেখছি-অঙ্গীকারকে (অঙ্গিকার), নীরবকে (নিরব) পক্ষীকে (পক্ষি), হস্তীকে (হস্তি) ইত্যাদি বানানে লিখে চলেছে। আবার এফএম রেডিওগুলো বাংলিশ নামের এক বিকৃতবাংলা চালু করেছে, যা ভবিষ্যতে ভাষার বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে বলে আমার আশঙ্কা। যদিও সম্প্রতি উচ্চআদালত কর্তৃক সর্বত্র বাংলিশ-বন্ধকরণসহ বাংলালিখনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, দেখা যাক কী হয়?

প্রমিতবানান বনাম ভুলবানানঃ 
এখানে একটি কথা উল্লেখ্য যে, যারা মনে করে বাংলাএকাডেমির কলমের খোঁচায় যুগযুগ ধরে প্রচলিত এবং বোধগম্য বানানগুলো বদলিয়ে ফেলায় আগের বই-পুস্তক, দলিলে লিপিবদ্ধ বানানগুলো অশুদ্ধ হয়ে গেছে; তাদের সাথে আমি একমত নই। এমনটি ভাবারও যৌক্তিক কারণ নেই। তাহলে রবিঠাকুর, নজরুল, জসিম, মধুসূদনসহ সবলেখকের বই-পুস্তকের বানানগুলোর কী হবে, নাকি তারা ভুল লিখেছেন বলতে হবে? প্রমিতকরণ মানে কিন্তু তা নয়। অনেককেই দেখি, তারা কাউকে আগের কোনো বানানলিখতে দেখলেই খেঁকিয়ে উঠে প্রমিতবানানের নমুনা হাজির করে বেচারাকে অপদস্ত করেই ছাড়ে। এরা রবিঠাকুর বা নজরুল জীবিত থাকলেও কি আগের বানানগুলো লেখার জন্য তাদেরও নাজেহাল করতেন? কিংবা তাদের আগের বইগুলো এখন ছিঁড়ে-পুড়ে ফেলে দেবেন নাকি তাদের সববই প্রমিতকরণ করে পালটিয়ে দেবেন? একটা বানানরূপ চালু হতে শতবছরও লাগতে পারে, আর একাডেমি যেভাবে বানানবদলিয়ে যাচ্ছে, তাতে প্রতিবছরই বাচ্চাদের পাঠ্যবই বদলিয়ে বদলিয়ে তাদের বিপাকে ফেলার দশাই হবে আরকি?

প্রমিত বানানরূপের বিষয়টি সবার আগেই স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির সিলেবাসের বই-পুস্তকেই ঢোকানো জরুরি। শুধু তা-ই নয়, সেকেলেপন্থী শিক্ষকদের আর প্রমিতবানানের দ্বন্দ্ব থেকেই যাচ্ছে। বাচ্চারা প্রমিত লিখলেও পরীক্ষার খাতায় কেউ ভুলবলে কেটে দেয় আবার কেউ শুদ্ধবলে নাম্বার দেয়, এর কী সমাধান?

উচ্চারণ ও লিখনে ফারাক থাকবে কেনো?
মনে রাখতে হবে–বাংলাশব্দগঠন বা বানানের ক্ষেত্রে সন্ধি, সমাস, উপসর্গ, বচন, পদ ইত্যাদির ভূমিকা অপরিসীম। আমরা বড়ভাইকে অবলীলায় স্পেস দিয়ে বড় ভাই, বিমানবন্দরকে বিমান বন্দর, পাঁচটাকাকে পাঁচ টাকা, বিজয়দিবসকে বিজয় দিবস, ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় লিখে থাকি, যা ভুল। এসব নামবাচক (‘নাম বাচক’ স্পেস দিয়ে নয়) শব্দ বা বিশেষ্যপদ (‘বিশেষ্য পদ’ নয়) একাধিক শব্দসহযোগে গঠিত হয়েছে, যা পৃথক করলে অর্থ ঠিক থাকেনা আর ব্যাকরণের নিয়মও বিগড়ে যায়। একসাথেই বা একনিঃশ্বাসে যে নামবাচক শব্দ বা বিশেষ্যপদ আমরা উচ্চারণ করি, তা আবার লেখার সময় একাধিক শব্দে লিখি কেনো, এটাও বিরাটভুল। যেমন- কত ”নাবলা” কথা আছে আমার মনে। এখানে নাবলা কথা=যা বলা হয়নি (‘না বলা’ নয়, স্পেস হবেনা)। তেমনই স্পেস ”হবেনা” বলার সময় ‘হবে’ বলার পর কি দম নিয়ে বা বিরতি দিয়ে ‘না’শব্দটা আমরা বলি? মানিনা, মানিনি, করিনা, করিনি, মরেনি, যায়না, নাজানা, নাশোনা, নাদেখা, নাশোকর, লাজবাব, একসাথে, একমাত্র, একমত ইত্যাদি উচ্চারণের সময় আমরা স্পেস না দিলেও লেখার সময় দু’ভাগ করে লিখি কোন যুক্তিতে?

বানানগঠনে সন্ধি ও সমাস এর প্রভাবই খুববেশি; যেমন- কলেজের ছাত্র এর ”এর” বিভক্তি লোপপেয়ে হবে কলেজছাত্র (ষষ্ঠি তৎপুরুষ সমাস), তেমনি সমাস এর নিয়মে বড় যে ভাই-হবে বড়ভাই, বিমান নামে যে বন্দরে-হবে বিমানবন্দর। কিন্তু একে যদি আলাদা আলাদা করে এভাবে লেখেন বিমান বন্দর, তবে তা আর বিমানবন্দর হিসেবে একটি নামবাচক শব্দ থাকেনা। বরং আলাদা দুটো নাম হয়ে যায়-বিমান একখানে আর বন্দর আরেকখানে ঠিক যেনো পৃথক দুটো জিনিস। সমাস এর বিধানানুযায়ী প্রধান যে শিক্ষক হবে ‘প্রধানশিক্ষক’ যা একশব্দেই, যদিও ইংরেজি উচ্চারণে আলাদাভাবে হয় ”Head Master”। যুগযুগ ধরে লিখে আসা ”চীন” হয়েছে চিন; যদিও চিন মানে চিহ্নও বোঝায়। তেমনই বঙ্গোপসাগর গঠিত হয়েছে -বঙ্গ, উপ, সাগর মোট এই তিনশব্দের সন্ধির নিয়মে যা বেশ শ্রুতিমধুর। অনেকেই শুনলে অবাক হবেন-এমন কিছু বাংলাশব্দ এতোই লম্বা যে বিশ্বাসই হবেনা; যেমন- ভারতমহাসাগর (ভারত সংলগ্ন যে মহাসাগর ), হ-য-ব-র-ল, শাখাপ্রশাখাযুক্ত (শাখা ও প্রশাখায় যুক্ত), জাতিধর্মবর্ণগোত্রনির্বিশেষে (জাতি ও ধর্ম ও বর্ণ ও গোত্রকে নির্বিশেষে), মৃত্যুসংবাদপ্রাপ্তিসাপেক্ষে (মৃত্যুর সংবাদকে প্রাপ্তির সাপেক্ষে) ইত্যাদি।
কিন্তু আমরা লিখতে গিয়ে একাধিক শব্দে গঠিত এমন শব্দকে স্পেস দিয়ে অনেক টুকরো করে ফেলি। যদিও বাংলাএকাডেমি এক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত নির্লিপ্ত রয়েছে শুধুমাত্র বানানের ই-কার, ঈ-কার, র/ড়/ঢ়, যুক্তাক্ষরজাতীয় সমস্যা ব্যতীত। ফলে আমরা ব্যাকরণনাজানা জনগণ শব্দগঠনের এ জটিলতায় পড়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলছি। আমরা জন্মের পর ব্যাকরণ পড়ে যেমন বাংলাশিখিনি তেমনই ব্যাকরণ নাজেনেও তা কিন্তু রপ্ত করা যায়।

তবে ভাষার ব্যাকরণ তৈরি না হলে ভাষার কাঠামো ভেঙ্গে গিয়ে যাচ্ছেতাই অবস্থার সৃষ্টি হতো বলেই ব্যাকরণ সৃষ্টি হয়েছে, যা থাকাও জরুরি। ব্যাকরণ না থাকলে বাংলিশভাষা আজ স্বীকৃতি পেয়ে যেতো এবং বাংলাভাষার অবস্থাও হতো সংস্কৃত, পালি ইত্যাদি অধুনালুপ্ত ভাষার ন্যায়। তবে ভাষা প্রবহমান জলস্রোতের মতোন যাকে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়, মুখে মুখে এর পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন হবেই। যুগের সাথে তালমিলিয়ে যেমন নতুন নতুন শব্দতৈরি হয় তেমনই এর ক্রমবিকাশ অবশ্যম্ভাবী। তখন একে নিয়মের আওতায় নিয়ে আসতে বাধ্য হবে ব্যাকরণ। যেমন-কিছুদিন আগেও ধর্ষণকারী ব্যতীত ”ধর্ষক” শব্দটি অভিধানে ছিলোনা, যা এখন আমাদের ভাষার নতুনশব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এ ধরণের আরেকটি নতুন শব্দ হচ্ছে-সহমত, যা ডিকশনারিতে এখনো যুক্ত হয়নি। [চলবে]

দয়াকরে লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ নবরঙ
Design BY NewsTheme